যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জানিয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এই অভিযান ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এর আগমনের ফলে পুয়ের্তো রিকোতে অবস্থানরত অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ, পারমাণবিক সাবমেরিন এবং বিমানসহ যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে সর্ববৃহৎ সামরিক উপস্থিতি গড়ে উঠেছে—যা ১৯৮৯ সালের প্যানামা অভিযানের পরের সবচেয়ে বড় ন্যাশনাল মিলিটারি বিল্ডআপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বড় সামরিক মোতায়েনকে 'মাদকবিরোধী যুদ্ধের' অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। এ অভিযানের লক্ষ্য দক্ষিণ আমেরিকার জলপথে মাদক পাচার রোধ করা। গত সেপ্টেম্বর থেকে মাদকবিরোধী এই অভিযানে অন্তত ৭৬ জন নিহত হয়েছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, জাহাজে থাকা ৪,০০০-এর বেশি নাবিক ও ডজনের বেশি ট্যাকটিক্যাল বিমান অঞ্চলের অবৈধ কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ ও রোধ করার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
তবে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানগুলো মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। দাবি, ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে বিভিন্ন জাহাজে অতর্কিত হামলা ন্যায়সঙ্গত নয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন নৌবাহিনীর এই অভিযান মাদুরোকে পদত্যাগে চাপ দেয়ার একটি প্রচেষ্টা। মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রকে “নতুন যুদ্ধ বাধানোর অজুহাত” বলে অভিযুক্ত করেছেন এবং বলেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েন 'গত ১০০ বছরে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে সবচেয়ে বড় হুমকি'।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন