ডাকসু নির্বাচন: প্রতি ১২ সেকেন্ডে দিতে হবে একটি ভোট - MN NEWS BD

MN NEWS BD বাংলাদেশের একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। এটি দেশ-বিদেশের সাম্প্রতিক খবর প্রকাশ করে, যার মধ্যে রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন এবং প্রযুক্তির মতো বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। অন্যান্য অনলাইন পোর্টালের মতোই, এটি দ্রুত সংবাদ পরিবেশন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পাঠকদের কাছে তথ্য পৌঁছে দিতে আগ্রহী। #বাংলা সংবাদ# বিশ্ব সংবাদ,#খেলাধুলা,#বিনোদন# রাজনীতি,#ব্যবসা,#তাৎক্ষণিক তথ্য#JAMUNATV#

Random Posts

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ডাকসু নির্বাচন: প্রতি ১২ সেকেন্ডে দিতে হবে একটি ভোট

 





প্রায় ৬ বছর পর হচ্ছে ডাকসু নির্বাচন। ফলে যেটি হয়েছে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। প্রার্থীও রেকর্ড সংখ্যাক। তবে শঙ্কা একটাই এত সংখ্যাক প্রার্থীর ভিড়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পছন্দের প্রার্থীকে নিজের ভোটটি দিতে পারবেন তো?

ডাকসুতে এবার ভোটা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮ টি পদে মোট প্রার্থী ৪৭১। এছাড়া ১৮ টি হল সংসদের ১৩ টি পদে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন।


প্রায় ৪০ হাজার ভোটারের জন্য কেন্দ্র ৮ টি। বুথ স্থাপন করা হচ্ছে ৭১০ টি। প্রতি কেন্দ্রে গড় ভোটার প্রায় ৫ হাজার। প্রতি বুথে ৫৬। যোগ-বিয়োগ করে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের ৪১ পদে কেউ ভোট দিতে চাইলে, সময় লাগবে ৮ মিনিটের মতো। ৫টি পদে ভোট দেয়ার জন্য ভোটার সময় পাবেন এক মিনিট। অর্থাৎ কোন সংকট না হলে বা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো সময় ধরলে প্রতি ১২ সেকেন্ডে একটি করে ভোট দিতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, ভোটাররা ১২ সেকেন্ডে ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীকে খুঁজে পাবেন তো? আর সবাই গড় সময় ধরে লাইনে ধারাবেন কীভাবে? সাধারণত শুরুর কিছু পর থেকে কয়েক ঘন্টা ভোটার কেন্দ্রে আসেন বেশি। সেক্ষেত্রে তাদের দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হতে পারে দীর্ঘ সময়।

শুরু থেকে ভোটের কেন্দ্র বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছে বেশির ভাগ প্যানেল। বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে বুথ সংখ্যা ৫শ’ থেকে ৭১০ করা হয়েছে। কিন্তু বাড়েনি কেন্দ্র। এটিকে কমিশনের ওপর অসন্তুষ্ট প্রার্থীরা।

ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেন, কোন না কোন পক্ষ প্রভাবিত করেই ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াচ্ছে না। সংখ্যা না বাড়ালে, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

দূরত্বের কারণে কয়েকটি হলের কেন্দ্র পরিবর্তনেরও দাবি জানিয়েছেন একটি প্যানেল।

শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বলেন, ভোটাররা কতোটুকু স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে আসছে, সেটা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। সেই সাথে, যে নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় রয়েছে, সেই সময়ের মধ্যে সকল শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পারবে কি না, সেটা নিয়েও আমরা শঙ্কিত।

ডাকসু’র প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, যারা ভোট দেয়, তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নামগুলো এবং ব্যালট নম্বরগুলো আগের থেকে প্রস্তুত করা থাকে। ভোটার শুধু ব্যালট নিবে এবং ক্রস করবে। সেখানে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না।

উল্লেখ্য, আগামী মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে বিরোতিহীন।

/এ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad